সারাদেশ

নিরাপত্তায় র‌্যাব, আছে ২১৩টি ভেটেরিনারি টিম

পবিত্র ঈদুল আজহায় রাজশাহী বিভাগে ৩’শ ২টি হাট নির্ধারণ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় এবার কোরবানির পশু বেচাকেনার জন্য ৩০২টি হাট নির্ধারণ করা হয়েছে।

শাহ্ সুফি মহিব্বুল আরেফিন
সংগৃহিত
সংগৃহিত

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় এবার কোরবানির পশু বেচাকেনার জন্য ৩০২টি হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। হাটগুলোর মধ্যে ১৬১টি স্থায়ী এবং ১৪১টি অস্থায়ী। পাশাপশি পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভাগজুড়ে ২১৩টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। অপর দিকে ঈদ উপলক্ষে র‌্যাব-৫ এর আওতাধীন ৫টি জেলায় সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি করেছে বাহিনীটি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ বছর রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলায় মোট ৪৩ লাখ পশু প্রস্তুত করা হয়েছে কোরবানীর উপযোগি করে। এর মধ্যে স্থানীয় চাহিদা রয়েছে ২৬ লাখ। যার কারণে প্রায় ১৭ লাখ পশু রাজধানী, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের অন্যান্য জেলায় পাঠানো হবে। এছাড়া বিভাগের আট জেলায় এবার কোরবানির পশু বেচাকেনার জন্য ৩০২টি হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এই হাটগুলোর মধ্যে ১৬১টি স্থায়ী এবং ১৪১টি অস্থায়ী। পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভাগজুড়ে ২১৩টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমগুলো হাটে উপস্থিত থেকে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, গর্ভবতী গাভী শনাক্তকরণ এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে র‌্যাব-৫ এর আওতাধীন ৫টি জেলায় সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি করেছে বাহিনীটি। বেলা ১১টায় রাজশাহী অঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুর হাট সিটি হাটে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানায় র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: মাসুদ পারভেজ। তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যাতে কোথাও কোন ধরণের চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই, পশুর হাটে টোল নিয়ে জোর জুলুম না করা হয় এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে বড় বড় হাটগুলোতে তারা কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে। সেই সাথে কন্ট্রোল রুমের পাশেই স্থাপন করা হয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র যেখান থেকে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা গরমে অসুস্থ্য বোধ করলে সহজেই চিকিৎসা নিতে পারবে। জটিল পরিস্থিতি তৈরী হলে র‌্যাবের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

এদিকে ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে মাঝারি সাইজের গরু। যার কারণে মাঝারি সাইজের গরুর দিকে ঝুঁকছে ক্রেতারা। এসব গরু মূলত ১ লাখ থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারির চেয়ে একটু বড় গরু বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ থেকে ২ লাখ ২০ হাজারের মধ্যে। আর ছোট সাইজের গরু বিক্রি হচ্ছে ৬৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে। বিশেষ করে এবার নাম ডাকের মত বড় গরু হাটে অনেক কম উঠছে। সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকার উপরে গরু ওঠেনি। এবার মহিষের দামও কিছুটা কম। সিটিহাটে মাঝারি সাইজের মহিষ বিক্রি হচ্ছে আড়াই থেকে ৩ লাখের মধ্যে।