শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

ইবি

ইবির অর্থনীতি বিভাগের কনসেপ্ট কম্পিটিশন-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ

মোহাম্মদ সবুজ, ইবি প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অর্থনীতি ক্লাব আয়োজিত ‘কনসেপ্ট কম্পিটিশন-২০২৬’ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন ভবনের চতুর্থ তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিজয়ী ২১ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্করসহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ভূরাজনীতি ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অস্থিরতা’ বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে অর্থনীতি ক্লাব। এতে চলমান ছয় শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রতি শিক্ষাবর্ষ থেকে তিনজন করে মোট ১৮ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া বিজয়ীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া তিনজনকে আলাদাভাবে পুরস্কৃত করা হয়।

ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাচান বলেন, “এই প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় অর্জন পুরস্কার পাওয়া নয়; বরং এতে অংশ নিয়ে জ্ঞান, চিন্তা ও দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করা। অর্থনীতি শুধু বইয়ের কিছু তত্ত্ব বা সমীকরণের বিষয় নয়। আমাদের critical thinker, problem solver এবং responsible citizen হতে হবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের এসব গুণ অর্জনে সহায়তা করবে।”

ক্লাবটির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আব্দুল জলিল পাঠান বলেন, “পরিবর্তিত বিশ্বে বাংলাদেশের চলমান ঋণাত্মক অর্থনৈতিক সূচকগুলো চিহ্নিত করা এবং এর সম্ভাব্য প্রতিকার খুঁজে বের করাই ছিল প্রতিযোগিতার মূল বিষয়। এটি শিক্ষার্থীদের প্রচলিত জ্ঞানের বাইরে এসে বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা করছি।”

বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর বলেন, “একটি প্রতিযোগিতা শুধু বিজয়ী নির্ধারণের মাধ্যম নয়; বরং এটি চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, যুক্তিবোধ এবং নতুন কিছু করার সাহস বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। যারা অংশগ্রহণ করেছে, তারা শুধু পুরস্কারের জন্য নয়, নিজেদের চিন্তাকে অন্যদের সামনে তুলে ধরার জন্যই অংশ নিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “জয়-পরাজয় গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং নিজের দক্ষতাকে আরও উন্নত করা। আশা করছি, এই প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন চিন্তার বিকাশ ঘটাবে, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে আরও সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করবে।”