জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে র্যালি শুরু হয়। পরে র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
উৎযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস শাহীদ মিয়ার সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমান বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া অনেক কঠিন ছিল। এই আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন নিঃসন্দেহে তারা ক্ষণজন্মা পুরুষ। এই আন্দোলনকে মূল্যায়ন করে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করতে পারিনি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর কতিপয় রাজনৈতিক দল এটিকে নিজেদের কৃতিত্ব দাবি করে দেশকে বিভাজন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে একটি জাতীয় ঐক্যের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র গঠন শুরু করেন। প্রকৃতপক্ষে, এমন জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া বাংলাদেশকে কখনো সামনের দিকে অগ্রসর করা সম্ভব হবে না।