শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

রাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শামসুল ইসলামের প্রয়াণ, উপাচার্যের শোক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রফেসর মোহা. শামসুল ইসলামের মৃত্যুতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার, উপ-উপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী এম জাকারিয়া ও উপ-উপাচা

কে এ এম সাকিব
প্রয়াত প্রফেসর মোহা. শামসুল ইসলাম।
প্রয়াত প্রফেসর মোহা. শামসুল ইসলাম।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রফেসর মোহা. শামসুল ইসলামের মৃত্যুতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার, উপ-উপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী এম জাকারিয়া ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর মো. সুলতান-উল-ইসলাম গভীর শোক এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। রসায়ন বিভাগের পক্ষ থেকে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর হাসান আহমেদও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

প্রফেসর ইসলাম গতকাল শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল ৪.৩০ মিনিটে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আগামী সোমবার (১৫ নভেম্বর) বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় গোরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

উপাচার্য রসায়ন বিষয়ে তাঁর উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণায় অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, তাঁর মৃত্যুতে দেশ এক অন্যতম মেধাবী রসায়নবিদ, শিক্ষককে হারালো।

প্রফেসর মহা. শামসুল ইসলাম ১৯৫০ সালে চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিষয়ে ১৯৭০ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে বিএসসি ও ১৯৭২ সালে প্রথম শ্রেণিতে ২য় স্থান অধিকার করে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগ দেন ও ১৯৯৫ সালে প্রফেসর পদে উন্নীত হন। দীর্ঘ অধ্যাপনা জীবনে তিনি রোকেয়া হলের প্রভোস্ট (১৯৯০-১৯৯৩) ও বিভাগীয় সভাপতি (২০০৯-২০১২) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৭ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

প্রফেসর শামসুল ইসলাম উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মাস্টার্স গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন। এছাড়া দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পিয়ার-রিভিউড জার্নালে তাঁর বিশের অধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।