শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

নবনিযুক্ত ট্রেজারার অধ্যাপক ইমদাদুল হুদাকে সাদা দল-ইউট্যাবের অভিনন্দন

কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দল ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর শিক্ষকরা।

স্বপ্না আক্তার, জাককানইবি প্রতিনিধিঃ
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দল ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে নবনিযুক্ত ট্রেজারারকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান শিক্ষকরা।

গত ৩০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে যোগদান করেন ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। উপাচার্যের কার্যালয়ে যোগদানপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এর আগে ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে ট্রেজারার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। চার বছর অথবা তাঁর অবসর গ্রহণের তারিখ—এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম ট্রেজারার। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অভ্যন্তরীণ শিক্ষকবৃন্দের মধ্য থেকে প্রথমবারের মতো কোনো শিক্ষক ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

৩ দশকের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত অধ্যাপক ইমদাদুল হুদা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও একাডেমিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কলা অনুষদের ডিন, সিন্ডিকেট সদস্য, অর্থ কমিটির সদস্য, বিভাগীয় প্রধান, পরিবহন প্রশাসক, একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর উপাচার্য ও ট্রেজারার পদ শূন্য থাকাকালে তিনি প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর ২০টির বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে তাঁর তত্ত্বাবধানে দুইজন পিএইচডি ও দুইজন এমফিল গবেষণা করছেন। এ ছাড়া তাঁর তত্ত্বাবধানে ২০টির বেশি এমএ থিসিস সম্পন্ন হয়েছে।

অভিনন্দন জানানোর সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. তানজিল হোসেন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. রাজু আহমেদ, কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বখতিয়ার উদ্দিন, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. হাবিব উল মাওলা (মাওলা প্রিন্স) এবং সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহন প্রশাসক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী।