নেপাল ও চীনের তিব্বতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ১ হাজার ২৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নেপালেই মারা গেছেন ১ হাজার ২২২ জন। দেশটিতে এখনো ৪ হাজার ৮৭৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি নাগরিক।
বন্যার এক সপ্তাহ পরও নেপালের বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। ভোতেকোশি নদীর তীরবর্তী সুড়ঙ্গ ও ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও কেউ আটকে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন উদ্ধারকারীরা।
নেপালের আটটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চিতওয়ান, নওয়ালপরাসি ইস্ট, নওয়ালপরাসি ওয়েস্ট ও নুয়াকোটে সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়া গেছে।
নেপাল সেনাবাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনী এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৯৯৩ জনকে উদ্ধার করেছে। তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে প্রায় ২১ হাজার ৩১৪ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রয়েছেন।
অন্যদিকে, নেপাল সীমান্তবর্তী চীনের তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে বন্যায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে আরও ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ৪০০।
পরিবেশবিদ সুনিতা নারায়ণ এ ভয়াবহ বন্যার সঙ্গে হিমালয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, নদী ও পাহাড়ের স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের পরিণতিই এখন ভয়াবহভাবে সামনে আসছে।