রাজনীতি

‘আমরাই একমাত্র রেজিস্টার্ড নজরুল ভ্যানগার্ড’: উপাচার্য

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ১২৭তম নজরুল জয়ন্তী।

স্বপ্না আক্তার, জাককানইবি প্রতিনিধিঃ
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ১২৭তম নজরুল জয়ন্তী।

সোমবার (২৪ আগস্ট) পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলার কনফারেন্স কক্ষে এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, নজরুল গবেষণা কেন্দ্রকে দেশের নজরুল গবেষণার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের উদ্দেশ্য হলো নজরুলকে বিশ্বজুড়ে তুলে ধরা এবং বিশ্বের বিভিন্ন নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা। স্বনামধন্য গবেষকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাঁদের কাছ থেকে তথ্য ও গবেষণার উপকরণ সংগ্রহ করা হবে, যাতে আমাদের গবেষকরা তাঁদের কাছ থেকে শিখতে পারেন।”

উপাচার্য বলেন, “আমাদের নজরুল গবেষণা কেন্দ্রটি শুধু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়; এটি হবে সারা বাংলাদেশের নজরুল গবেষণা কেন্দ্রগুলোর প্রাণকেন্দ্র। কারণ, উই আর দ্য অফিসিয়ালি রেজিস্টার্ড ‘নজরুল ভ্যানগার্ড’।”

অনুষ্ঠানে নজরুলচর্চায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দুই গুণী ব্যক্তিকে ‘নজরুল পদক ২০২৬’ দেওয়া হয়। গবেষণায় অবদানের জন্য নজরুল-গবেষক আবদুল হাই শিকদারের হাতে পদক তুলে দেন উপাচার্য। সংগীতে অবদানের জন্য প্রখ্যাত নজরুলশিল্পী শবনম মুশতারীকে পদকের জন্য মনোনীত করা হলেও অসুস্থতার কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি। পরে তাঁর কাছে পদক পৌঁছে দেওয়া হবে।

ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক নজরুলচর্চা কেন্দ্রের মহাসচিব প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান শেলী। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ‘গাহি সাম্যের গান’ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নজরুল-বক্তৃতামালার বিভিন্ন অধিবেশনে বরেণ্য গবেষকদের প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।