রাজশাহী

এআই দিয়ে অশ্লীল ছবি বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল, নাটোরে যুবক গ্রেপ্তার

‌নিজস্ব প্রতি‌বেদক
ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুক্তভোগীর অশ্লীল ছবি তৈরি করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে নাটোরের বড়াইগ্রাম থেকে মো. রাইসুল ইসলাম জুয়েল (৩৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৫-এর সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্পের একটি দল

রোববার (২৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৫-এর সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্পের একটি দল।্য কেনাবেচার যোগাযোগের সুযোগ নিয়ে তার ছবি সংগ্রহ করেন তিনি।

র‌্যাব জানায়, গত ২০ আগস্ট বিকেল ৪টা ৫৬ মিনিটের দিকে জুয়েল অপর সহযোগীদের সহায়তায় ভুক্তভোগীর হোয়াটসঅ্যাপে তার প্রোফাইল ছবি ব্যবহার করে এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি একটি অশ্লীল ছবি পাঠান।

এর আগে ভুক্তভোগী অনলাইনে ৮০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গ্র্যান্ড পিয়ানো কেনার জন্য জুয়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি জুয়েলের বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করেন।

পরে বিভিন্ন মাধ্যমে ভুক্তভোগীর আরও ছবি সংগ্রহ করে সেগুলো এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকৃত করে অশ্লীল ছবি তৈরি করা হয়। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীর কাছে ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ২৩ আগস্ট ঢাকার ভাটারা থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর জুয়েল আত্মগোপনে চলে যান।

পরে র‌্যাব-৫-এর সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্পের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে। রোববার রাতে বড়াইগ্রামের গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাবের দাবি, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তার জুয়েলকে বিধি অনুযায়ী বড়াইগ্রাম থানার মাধ্যমে ঢাকার ভাটারা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব-৫।