রাজশাহী

যুক্ত হবে নতুন পশুপাখি

রাজশাহী চিড়িয়াখানায় ফিরছে হারানো ঐতিহ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: সংগৃহীত

একসময় নানা প্রজাতির পশুপাখির বিচরণ আর দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখর থাকত রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা। সময়ের সঙ্গে সেই জৌলুস অনেকটাই হারিয়েছে। এবার পুরোনো সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে চিড়িয়াখানাটিকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নতুন পশুপাখি সংযোজন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।একসময় নানা প্রজাতির পশুপাখির বিচরণ আর দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখর থাকত রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা। সময়ের সঙ্গে সেই জৌলুস অনেকটাই হারিয়েছে। এবার পুরোনো সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে চিড়িয়াখানাটিকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নতুন পশুপাখি সংযোজন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান। তাঁরা চিড়িয়াখানার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের সম্ভাব্য বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

পরিদর্শন শেষে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন সাংবাদিকদের বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন পশুপাখি সংযোজন ও আধুনিকায়নের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শন করেছেন। এবার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসেছেন। তাঁদের এ উদ্যোগের মাধ্যমে চিড়িয়াখানাটিকে নতুন রূপে সাজানোর কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান বলেন, রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের সম্ভাবনা যাচাই করতে একটি টিম নিয়ে পরিদর্শন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হবে।

তিনি বলেন, স্টাডির ভিত্তিতে চিড়িয়াখানাটিকে কীভাবে আরও আকর্ষণীয়, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করা যায়, সে বিষয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা নেওয়া হবে। বিশ্বের আধুনিক চিড়িয়াখানাগুলোর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার আদলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানাকে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা) ড. মো. বজলুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. সফিকুর রহমান, রাজশাহী বিভাগের পরিচালক ড. আনন্দ কুমার অধিকারী, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈনসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।