রাজশাহী

আসামি গ্রেপ্তার

রাজশাহীতে গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি

দেশীয় অস্ত্র হাতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নজরে আসে।

‌নিজস্ব প্রতি‌বেদক
গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগের এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি আরিফকে (৩৭) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগের এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি আরিফকে (৩৭) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। |রাজটাইমস

রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে সিকিউরিটি গার্ডকে মারধর ও গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগের এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামি আরিফুল ইসলাম আরিফকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে রাজপাড়া থানা পুলিশ।

বুধবার (২০ আগস্ট) অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আরিফুল ইসলাম আরিফ রাজশাহী মহানগরীতে রোগী ধরার দালাল হিসেবে পরিচিত বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সিকিউরিটি গার্ড মো. সাব্বির হোসেন (২৬) বাদী হয়ে রাজপাড়া থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লক্ষ্মীপুর মোড়ের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পুরাতন ভবনে দায়িত্ব পালন করছিলেন সাব্বির। প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী তিনি হ্যান্ডমাইকে রোগী ধরার দালাল, চোর, পকেটমার ও প্রতারকদের বিষয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের সচেতন করছিলেন।

এ সময় আরিফুল ইসলাম আরিফসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে মাইকে বক্তব্য দিতে নিষেধ করেন। সাব্বির দায়িত্ব পালনের কথা জানালে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও গালিগালাজ করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলাফোলা জখম হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে অন্যদের উসকানিতে আরিফুল দৌড়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পুরাতন ভবনের পেছনে গিয়ে একটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসে। পরে অস্ত্রটি সাব্বিরের গলায় ধরে তাকে হত্যার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নজরে আসে। তিনি জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। এরপর রাজপাড়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযোগ পাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই আরিফুল ইসলাম আরিফকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামির হেফাজতে থাকা দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।