রাজশাহী

র‍্যাবের জালে শরিফুল

রাজশাহী‌তে পুলিশ-সেনা পরিচয়ে প্রতারণা

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম-পদবি ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগে মো. শরিফুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতারক  শরিফুল ইসলাম (২৭)
প্রতারক শরিফুল ইসলাম (২৭) |রাজটাইমস

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম-পদবি ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগে মো. শরিফুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার রানীনগর পানির ট্যাংকি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র‍্যাব-৫-এর মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

র‍্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শরিফুল ইসলাম বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হুমায়ুন কবীরের নাম, পদবি ও ছবি ব্যবহার করে অন্যের নামে নিবন্ধিত একটি সিমকার্ড দিয়ে ‘Additional DIG Humayun’ নামে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খোলেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরিফুল স্বীকার করেছেন, ওই আইডি ব্যবহার করে প্রশাসন ক্যাডার, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা ও দায়রা জজ এবং আইনজীবীদের ফোন ও মেসেজ করতেন। বিভিন্ন মামলার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছে অর্থ দাবি করতেন বলেও র‍্যাবকে জানিয়েছেন তিনি।

র‍্যাব জানায়, রাজশাহী ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অনলাইন প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন শরিফুল। পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগে বিভিন্ন থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেফতার হয়ে জামিনে মুক্তির পরও তিনি পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন বলে র‍্যাব জানিয়েছে।

অভিযানের পর শরিফুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।